• ২৯ চৈত্র ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

East Medinipur

রাজ্য

অধিকারী গড় পূর্ব মেদিনীপুরে ফের জেলাশাসক পদে পূর্ণেন্দু

পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক বদল। ফেরানো হলো পূর্ণেন্দু কুমার মাজিকে। নির্বাচনের আগে এই জেলায় জয়শী দাশগুপ্তকে জেলাশাসক করে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী আচরণবিধি উঠে যেতেই জয়শীকে জেলাশাসকের পদ থেকে সরানোর বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল গতকাল। ঘোষণা প্ নতুন জেলাশাসকের নাম।লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, পূর্ব মেদিনীপুরে ভোট লুঠ করা হয়েছে। জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, ওসি-আইসিদের নির্বাচন কমিশন সরিয়ে দিতেই বিজেপি ভোট লুঠ করেছে। নানা পন্থা অবলম্বন করে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলকে।উল্লেখ্য, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি ও তমলুক লোকসভা কেন্দ্র তৃণমূলের থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের এগরা ও ঘাটালের পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা ক্ষেত্রেও লিড পেয়েছে বিজেপি। জেলার ১৬টির মধ্যে ১৫টি বিধানসভা এলাকায় এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে যে জেলাশাসকদের বিভিন্ন জেলায় আনা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককেই প্রথম সরানো হল। রাজনৈতিক দিক থেকেও তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। গত ২২ মার্চের বিজ্ঞপ্তিতে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক হিসেবে নিযুক্ত হন আইএএস জয়শী দাশগুপ্ত। তৎকালীন জেলাশাসক তনভীর আফজলকে পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দফতরের বিশেষ সচিব করা হয়েছিল।পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় জেলাশাসকের দায়িত্ব সামলানো পূর্ণেন্দু কুমার মাজিকে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন ঘোষণার আগে তাঁকেও বীরভূমের জেলাশাসক করা হয়েছিল। বীরভূমের জেলাশাসক বিধানচন্দ্র রায় পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের দায়িত্বে আসেন।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সরানো হয় পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককেও। ২২ মার্চ বিজ্ঞপ্তি করে জানানো হয়েছিল পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক হবেন আইএএস কে রাধিকা আইয়ার। তখন বিধানচন্দ্র রায়কে বিদ্যুৎ দফতরের বিশেষ সচিব পদে পাঠানো হয়েছিল।বীরভূমের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজিকে বদলি করা হয়েছিল রাজ্য মৎস্য উন্নয়ন নিগমের এমডি পদে। এবার তাঁকে পাঠানো হলো পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক করে, যে দায়িত্ব তিনি আগেও সামলেছেন।

জুন ১০, ২০২৪
রাজনীতি

২০ বছরের বেশি ব্লক সভাপতি, চক্রান্ত হয়েছিল দাবি তৃণমূল নেতার

চক্রান্ত হলেও দল সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নেত্রীর বিশ্বাসকে চিড় ধরানোর জন্য কেউ বা কারা এ কাজ করেছিল। বললেন কুড়ি বছরের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি। প্রসঙ্গত পুনরায় খড়্গপুর ২ নং ব্লক তৃণমূলের সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন তৃষিত মাইতি। এরপর দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি এদিন।আজ এক সাক্ষাৎকারে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে তৃষিত বলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত তৈরী হয়েছিল। দলেরই একাংশ চায়নি তিনি পুনরায় ব্লক সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হোন। কিন্তু দল সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে, সঠিক বিচার বিবেচনার মধ্য দিয়ে পুনরায় দলের খড়্গপুর ২ নং ব্লকের দ্বায়িত্ব দিয়েছেন দল পরিচালনার জন্য। তবে দলের মধ্যে থেকে কে বা চক্রান্ত করেছে তা খোলসা করে জানাননি তৃষিত বাবু।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

Child Abuse: একরত্তি শিশুকে আছড়ে ফেলছেন পরিচারিকা, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে আঁতকে উঠলেন বাবা-মা

এমন দৃশ্য দেখে যে কেউ আঁতকে উঠতে বাধ্য। এক রত্তি শিশুকে কাঁধের ওপর তুলে বিছানায় সজোরে আছড়ে ফেলছে পরিচারিকা। শিশুটির পিঠেও আঘাত করা হচ্ছে। সিসিটিভির এই ফুটেজ দেখে আঁতকে উঠেছেন বাড়ির কর্তা-গিন্নি। দুজনকেই কাজের তাগিদে বাইরে থাকতে হয়। বাড়িতে পরিচারিকা রেখেছেন শিশুটিকে দেখাভালের জন্য। বাবা-মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত পরিচারিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, বাবা দেবাশিস দাস বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক, মা নবমিতা ভট্টাচার্য মেদিনীপুরের পাবলিক হেলথের ডিস্ট্রিক্ট ম্য়ানেজার। তাঁদের অনুপস্থিতিতে বাড়িতে শিশুটিকে দেখভালের জন্য রেখেছেন জনৈক কল্পনা সেনকে। বছর পঞ্চাশের এই স্থানীয় মহিলা ২০১৮ সাল থেকে দেবাশিসবাবুদের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন। বাবার বাড়িতে মাতৃত্বকালীন ছুটি কাটিয়ে গত মে মাসে ফের ফ্ল্যাটে এসে ওঠেন নবমিতা। দেবাশিসবাবু প্রতি শনিবার ফ্ল্যাটে আসেন। পুলিশ সূত্রে খবর, পরিচারিকা কল্পনার অচরণে সন্দেহ হয় দেবাশিসবাবু ও নবমিতার। তাঁরা বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা সেট করেন। কিন্তু সিসিটিভির বিষয়টা পরিচারিকা জানাননি। তাঁরা মোবাইলে অনলাইনে সিসিটিভির মাধ্যমে বাড়ির প্রতি নজর রাখতেন। বৃহস্পতিবার মোবাইলে অনলাইনে মেয়েকে দেখতে গিয়ে আঁতকে ওঠেন দেবাশিসবাবু। তিনি দেখেন পরিচারিকা তাঁর একরত্তি শিশুর ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। বিছানার ওপর আছড়ে মারছে তাঁর শিশু সন্তানকে। মারধরও করছে। বিষয়টি স্ত্রী নবমিতাকে জানান দেবাশিসবাবু। তড়িঘড়ি দুজনে বাড়ি ফিরে আসেন। তারপর পাঁশকুড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই পরিচারিকার বিরুদ্ধে। আপাতত পরিচারিকার স্থান শ্রীঘরে।

অক্টোবর ০২, ২০২১
রাজ্য

Suvendu Adhikari: পুলিশ সুপারকে কাশ্মীরে বদলির হুমকি শুভেন্দুর

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হারের কারণ আত্মতুষ্টি। একদিন আগেই এমন মন্তব্য করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর ঠিক একদিন পরেই পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। প্রকাশ্য সভা থেকে পুলিশের উদ্দেশে হুমকি দিয়ে জানালেন, তৃণমূলের কথা শুনলে কাশ্মীরে স্থানান্তর হতে পারেন। সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের সদর তমলুকে পুলিশ সুপারের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, তৃণমূলের কথা শুনে ভুল কাজ করায় রাজীব কুমারের মতো অনেক অফিসারকে বিপদে পড়তে হয়েছে। তাই ঠিক মতো কাজ করুন।আরও পড়ুনঃ ক্যাডবেরি নিয়ে উত্তাল নেটমাধ্যম, উত্তর দিল সংস্থাবিজেপি কর্মীদের উপর মিথ্যা মামলা চাপানোর অভিযোগ তুলে সরব হন বিরোধী দলনেতা। সোমবার তাঁর নিশানায় ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার। নাম না করে এসপি-র উদ্দেশে শুভেন্দু বলেন, এখানে একটি বাচ্চা ছেলে এসপি হয়ে এসেছেন। আমি তাঁকে বলতে চাই আপনি কেন্দ্রীয় সরকারের অফিসার। এমন কাজ করবেন না যাতে কাশ্মীরের অনন্তনাগ বা বারমুলায় গিয়ে ডিউটি করতে হয়। তিনি আরও বলেন, ভাইপোর অফিস থেকে যাঁরা ফোন করেন তাঁদের প্রত্যেকের কল রেকর্ড আমার কাছে রয়েছে। তাই সতর্ক হন। আপনাদের কাছে যদি রাজ্য সরকার থাকে, তবে আমাদের হাতে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।যে সব পুলিশ অফিসাররা মিথ্যা মামলা করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা ও সিবিআই তদন্ত করা হবে বলেও সোমবার জানান শুভেন্দু। ওই প্রসঙ্গে নন্দীগ্রাম ঘটনার কথাও তিনি তুলে আনেন।

জুলাই ১৯, ২০২১
রাজ্য

যশ-এ বিধ্বস্ত পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা

অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় যশ কতটা ক্ষয়ক্ষতি করল তার হিসেব এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একটা বিষয় পরিষ্কার। এই ঘূর্ণিঝড়ের জেরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত যদি কোনও জেলা হয়ে থাকে তা হল পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা। উপকূলবর্তী এই দুই জেলা রীতিমতো লণ্ডভণ্ড হয়ে হয়ে গিয়েছে যশের জেরে। সব মিলিয়ে ১ কোটির বেশি মানুষ প্রভাবিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদে ক্ষতির পরিমাণ বুঝতে বিকেলেই দুই জেলাশাসকের সঙ্গে বৈঠক করেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, পূর্ব মেদিনীপুরের ৫ টি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৭ টি পুরসভা এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুই জেলার মোট ১২ টি পুরসভা এলাকার ১০ হাজার ৬০০ টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় একজনের মৃত্যুও হয়েছে। এখনও জলের তলায় রয়েছে বহু এলাকা। যদিও এখনও পর্যন্ত দুই জেলায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কত তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। সমগ্র ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখছে পুর দপ্তর।বৈঠক শেষে এ দিন মন্ত্রী চন্দ্রিমা আরও জানান, দুই জেলাতেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। জল নিকাশির জন্য রাজ্য জুড়ে বর্তমানে ৭,৮১৬ টি দল কাজ করছে। পানীয় জলের সমস্যা রুখতে কাজ করছে ৯৬৫ টি দল। পুজালি এবং বজবজের মতো পুর এলাকাগুলির ৯ টি বাঁধ এখনও পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের জুনপুটে আরও একটি বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

মে ২৬, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে বাড়ি ভাড়া নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, বানাবেন কুঁরে ঘর

সবার প্রথম তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়েছে নন্দীগ্রামে। ওই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছে। সম্মুখ সমরে মমতা-শুভেন্দু। জমি আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির উত্তাপে দগ্ধ নন্দীগ্রাম। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সব থেকে নজরকাড়া কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বটতলার সভা থেকে প্রচারে ঝড় তুললেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে সেখানে দুই কামরার বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথাও ঘোষণা করলেন। স্মৃতি আওড়ালেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের।একসময় বামপন্থীরা স্লোগান তুলছিল ভুলতে পারি বাপের নাম, ভুলবো নাকো ভিয়েতনাম। এদিন মমতা বলেন, ভুলতে পারি সবার নাম, ভুলবো নাকো নন্দীগ্রাম। এভাবেই নন্দীগ্রামকে সম্মান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সিঙ্গুরে আন্দোলন শুরু হয় নন্দীগ্রামের আগে। সিঙ্গুর আন্দোলন না হলে নন্দীগ্রামের আন্দোলনে তুফান হত না। আমি নিজেও গ্রামের মেয়ে। শহরে মানুষ হয়েছি। সেটাও ভালবাসার জায়গা। ছোটবেলা গ্রামেই কেটেছে। আলে আলে ঘুরে বেড়াতাম। ধান কাটতাম। সর্ষে ক্ষেতে যেতাম। গ্রামের প্রতি আমার টান আছে। সিঙ্গুর বা নন্দীগ্রামে যে কোনও এক জায়গায় আমি প্রার্থী হতাম। রাজনৈতিক মহলের মতে, এভাবেই গ্রামের আবেগ ছুঁতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী।আন্দোলনের স্মৃতি উসকে মমতা বলেন, গন্ডগোলের সময় একবার তাহের(আবু তাহের) ফোন করছে, একবার সুফিয়ান(সেখ সুফিয়ান) ফোন করছে। গুলির শব্দ শোনাচ্ছেন ফোনে। যাঁদের থাকার কথা ছিল তাঁরা একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়েও ছিলেন না। ১০ নভেম্বর সূর্য উদয়। ১০ জনকে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে কেটে ভাসিয়ে দিয়েছে না কী করেছে কেউ জানে না। তেখালিতে গুলি চালাচ্ছে, আমার গাড়িতে গুলি লেগেছে। গোকুলনগর, তেখালি, সোনাচূড়া বিভিন্ন গ্রামের নাম বলতে থাকেন মমতা। মমতার বক্তব্য, তাঁকেও বাইরের লোক বলে অভিহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।বেশ কয়েকটি জনসভায় বামেদের বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বাম দলেও অনেক ভাল মানুষ আছেন বলেও মন্তব্য করেছিলেন। এদিন নন্দীগ্রামে মমতা বলেন, পুরনো অত্যাচারী সিপিএম চলে এসেছে। বিজেপি এদের নিয়ে এসেছে। নন্দীগ্রামে লক্ষ্মণ শেঠের সঙ্গে কাজ করছে। সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি এক। হুমকি দিচ্ছে তোমার বিরুদ্ধে কেস আছে! এসব দুমাস করে নাও। সাতদিন পরে তোমরা কোথায় যাবে?এদিনের সভায় নন্দীগ্রামের উন্নয়নের ফিরিস্তি দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। একইসঙ্গে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম ও হলদিয়াকে জুড়তে সেতু তৈরি করা হবে। মডেল নন্দীগ্রাম করব। বেকারদের চাকরি হবে। নন্দীগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় করব। আমি চাই এখানকার ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করুক। মমতা জানিয়ে দেন, নন্দীগ্রামে রুইয়া পাড়ায় দুটি রুমের একটা বাড়ি ভাড়া নিয়েছি। পরে একটা কুঁড়ে ঘর বানিয়ে নেব। এখানে ভোট পয়লা এপ্রিল। ওদের এপ্রিল ফুল করে দেবেন। পয়লা এপ্রিল নন্দীগ্রামে খেলা হবে। তিন মাস অন্তর তিনি নন্দীগ্রামে আসবেন বলেও জানিয়ে দেন।

মার্চ ০৯, ২০২১
রাজনীতি

"বাড়ির পাঁচ কিলোমিটার দূরে দাঁড়িয়ে আছি", কাঁথির জনসভায় হুঙ্কার অভিষেকের

সভা পাল্টা সভায় সরগরম বাংলা। তোপ পাল্টা তোপ চলছেই। এবার শুভেন্দুগড়ে হানা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের যুবরাজ। রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিলেন। সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মূলত কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র থেকে মানুষ এখানে এসেছেন। আপনারা যদি ভোট দেন তাহলেই তো মীরজাফর এন্ড কোম্পানির জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে। এই মাঠে যা লোক এই মাটিকে প্রণাম জানাই। এই মেদিনীপুরে মাটি লড়াই সংগ্রামের মাটি। যারা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মাটি, মাতঙ্গিনী হাজরার মাটি, সতীশ সামন্তের মাটিকে কলুষিত করেছে তাদের কিন্তু এই মেদিনীপুরের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করবেন।তোর বাপকে গিয়ে বল বাড়ির পাঁচ কিলোমিটার দূরে দাঁড়িয়ে আছি। যা করার কর। আয়, আয়, আয়। হিম্মত আছে। হিম্মত আছে। অভিষেকের এই ভিডিও পোস্ট করে শুভেন্দু লিখেছেন, কাঁথির জনসভা থেকে বাংলা সংস্কৃতি !!!এদিনও অভিষেক দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেস ২৫০ এর বেশি আসন পেয়ে এই বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসবে। মানুষ বিজেপিকে ছুঁড়ে ফেলে দেবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হবেন। আমি এদের রাজনৈতিক ভাবে দেউলিয়া করে ছাড়ব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাকে ভরসা করেছিলেন তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। পাঁচ বছরে কতবার মোদী অমিত শাহ মেদিনীপুর এসছেন। হলদিয়া আসছেন মোদী। কিন্তু তাও আমরা ৫০,০০০ এর বেশি ভোটে জিতব। এই মেদিনীপুরের মাটি থেকে দাঁড়ালে মেদিনীপুরের মানুষ ৫০,০০০ ভোটে হারাবে।কাঁথিতে দাঁড়িয়ে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের হুঙ্কার, কীসের অধিকারী গড়? এই জেলা মানুষের, কোনও পরিবারের নয়। এই গড় ক্ষুদিরাম বসু সুশীল ধাড়ার গড়। আমাকে ভয় দেখাবেন বলেছিলেন। চার আনার নকুলদানা তার আবার ক্যাশমেমো। জামানত বাজেয়াপ্ত করব। কথা দিলাম এদের ছুঁড়ে ফেলে দেবে এই মেদিনীপুরের মানুষ।বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী নতুন দলে যোগ দেওয়ার পর টানা ভাইপো সম্বোধন করে আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছেন। এমনকী অভিষেকপত্নীকে নিয়েও অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু। অভিষেক বলেন, ভাইপো আর ভাইপো। ওরা আতঙ্কিত। এখন আমার স্ত্রীর কথা বলছে। আমি চ্যালেঞ্জ করছি সোনা পাচারের ঘটনায় ওদের সিআইএসএফ কী করছিল? সিসিটিভি ফুটেজ দাও। আমার তোলাবাজির প্রমাণ দেখাতে পারলে নিজে ফাঁসি যাব। সুদীপ্ত সেন নিজের হাতে কোর্টকে লিখেছেন শুভেন্দু অধিকারী ৬ কোটি টাকা নিয়েছেন। শুভেন্দু রাখাল বলে একজনের সাথে আলাপ করিয়েছেন। কে এই রাখাল? এই রাখালের সাথে এনামুলের কী সম্পর্ক সব জানি আমরা, সব তথ্য আছে? রাখালের সাথে এই গরু পাচারকারীদের কী সম্পর্ক? যারা স্বর্বস্বান্ত হয়েছেন তারা এই গদ্দারদের বাড়ি ঘিরে দিন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে মমতা, দক্ষিণ কলকাতায় শুভেন্দু- চড়ছে উত্তেজনার পারদ

একই দিনে অগ্নিপরীক্ষা। নন্দীগ্রাম ও দক্ষিণ কলকাতায়। নন্দীগ্রামে আজ জনসভা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে এদিন দক্ষিণ কলকাতায় মিছিল করবেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য রাজনীতি একেবারে জমজমাট। রাজনীতির প্রতি পদক্ষেপে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। এবার দিনে দিনেই পাল্টা চ্যালেঞ্জ। অভিজ্ঞ মহলের মতে, জনতার আবেগ ও ভিড় প্রমান করবে পাল্লা কার দিকে ভারি।৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে জনসভা করার কথা ছিল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল নেতা বিধায়ক অখিল গিরি করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ওই সভা বাতিল করে দল। সেদিন সেখানে গিয়েছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। ১৮ জানুয়ারি মমতার সভা হবে বলে ঘোষণা করা হয়। শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা ১৯ জানুয়ারি খেজুরিতে বিজেপি জনসভা করবে বলে ঘোষণা করেন। শেষমেশ সোমবার দক্ষিণ কলকাতায় মমতার খাসতালুকে মিছিলের কর্মসূচি নেয় বিজেপি। সেই মিছিলে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে নেতৃত্বে থাকবেন শুভেন্দু।নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মূলে কে বা কারা তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক রয়েছে। দাবি-পাল্টা দাবি চলছে। ২০১৬-তে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু। এবার তাঁর গড়ে জনপ্রিয়তা যাচাই করতে ময়দানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। সোমবারের জনসভা থেকে কী বার্তা দেন তৃণমূল নেত্রী তার অপেক্ষায় নন্দীগ্রামের মানুষ। অন্যদিকে যে দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূল নেতৃত্ব নিয়ে শুভেন্দুর যাবতীয় অভিযোগ, সেখানেই মিছিল করে কলকাতা অভিযান শুরু করছেন তিনি। টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপো থেকে মিছিল শুরু করে শেষ হবে রাসবিহারী মোড়ে। বামফ্রণ্ট আমলেও দক্ষিণ কলকাতা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়। সেখানেই এবার নিজের শক্তি পরীক্ষা করে নিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার বঙ্গ রাজনীতির ময়দানে যুযুধান দুই পক্ষের মহারণ প্রত্যক্ষ করবেন উদগ্রীব জনতা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

বাংলায় 'বড় চানক্য' ছিল, এবার রাজনীতির ময়দানে 'ছোট চানক্য'

বাংলায় রাজনীতির চানক্য হিসাবে পরিচিত তৃণমূলের একসময়ের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড এখন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। এবার আরেক জনের নাম উঠে এল। একজন বড় চানক্য, অন্যজন ছোট চানক্য। শুক্রবার নন্দীগ্রামে বিজেপির জনসভায় দুই চানক্য-এর কথা বলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়।এদিন নন্দীগ্রামের স্টেট ব্যাংক সংলগ্ন ময়দানে জনসভার ডাক দিয়েছিল বিজেপি। সেই সভায় বিজেপির এরাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মঞ্চে বসা মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীকে দেখিয়ে বলেন, এখানে দুজন চাণক্য হাজির আছেন। বড় চাণক্য মুকুল রায়, ছোট চাণক্য শুভেন্দু অধিকারী। এই দুজন এখান থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেত্রী বানিয়েছেন। এঁরা এখন আমাদের সঙ্গে আছেন। নন্দীগ্রামে গুলি চালানো পুলিশ আধিকারিক সত্যজিৎ মুখোপাধ্যায়কে তৃণমূল দলে নিয়েছে, আর এক পুলিশ আধিকারিককে অবসর গ্রহণের পর নিজের অফিসে নিয়োগ করেছেন। এভাবেই নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে ধোকা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এদিকে এদিন তাঁর বক্তব্যে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, তিনি নন্দীগ্রামের মাটিতে একাধিকবার এসেছেন। আন্দোলনের সঙ্গে ছিলেন। তিনি চেনেন নন্দীগ্রামকে। নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী সেভাবে বক্তব্য না রাখলেও তিনি বলেন, ৮ জানুয়ারি সভা ডাকা হয়েছিল। ৭ তারিখে তৃণমূল কংগ্রেস সভার পর জবাব দেব বলে। আমরা জানতে পেরেছি ১৮জানুয়ারি তৃণমূল সভা করবে, তাই ১৯ জানুয়ারি ফের সভা হবে খেজুরিতে। সেখানে ১৮ জানুয়ারি সভার বক্তব্যের জবাব পাবে তৃণমূল নেতৃত্ব। সভায় হাজির ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

জানুয়ারি ০৮, ২০২১
রাজ্য

কাঁথির বিদায়ী ১৬ কাউন্সিলর গেরুয়া শিবিরে!

বিজেপিতে শুভেন্দু অধিকারী যোগ দেওয়ার পরে কাঁথিতে জনসভার ডাক দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কাঁথির ডরমেটরি ময়দানের জনসভায় বক্তব্য রেখেছিলেন ফিরহাদ হাকিম, সৌগত রায়, অখিল গিরিরা। সেদিনের সভায় আক্রমণ করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীকে। এরপর বুধবার সৌমেন্দু অধিকারীকে সরিয়ে দেওয়া হয় কাঁথি পুরসভার প্রশাসক পদ থেকে। এবার পাল্টা ওই ময়দানেই শুক্রবার, বছর শুরুর দিন সাংগঠনিক সভা করতে চলেছে বিজেপি। জানা গিয়েছে, শুক্রবারের সাংগঠনিক সভায় কাঁথি পুরসভার বিদায়ী ১৬ জন কাউন্সিলর যোগ দিতে চলেছেন গেরুয়া শিবিরে। তাছাড়া কাঁথি পুরসভা এলাকার অন্য দলের নেতৃত্বও বিজেপিতে যোগ দেবেন বলে বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে। বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অনুপ চক্রবর্তী বলেন, ডরমেটরি ময়দানে আমাদের সাংগঠনিক সভা হবে। সেখানে বিভিন্ন দল থেকে বিজেপিতে যোগদান করবেন। কাঁথি শহরেই বাড়ি শুভেন্দু অধিকারীর। এখনও পর্যন্ত অধিকারী পরিবারের শুভেন্দু ছাড়া কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগদান করেনি। কিন্তু শুভেন্দুর যোগদান করার পর তৃণমূল কংগ্রেস অধিকারীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী নয়। তা দলের কিছু সিদ্ধান্তে স্পষ্ট। একদিকে যেমন সৌমেন্দু অধিকারীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রশাসনিক পদ থেকে। পাশাপাশি কাঁথির তৃণমূলের জনসভায় হাজির ছিলেন না জেলা সভাপতি সাংসদ শিশির অধিকারী ও সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। অর্থাৎ অধিকারী পরিবারের সঙ্গে সামগ্রিকভাবে তৃণমূলের রাজনৈতিক সম্পর্ক একেবারে টালমাটাল। আগামীকাল বিজেপির সভা তৃণমূলের পাল্টা জবাবী সভা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দেখার বিষয় কাঁথির এই সভায় কারা বিজেপির পতাকাতলে শামিল হয়। এদিকে এদিন কাঁথি পুরসভার দায়িত্ব নিতে গিয়ে হেনস্থা হতে হয়েছে নবনিযুক্ত পুরপ্রশাসক সিদ্ধার্থ মাইতিকে। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন পুরকর্মীরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আবার সরকারি নির্দেশের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছেন সৌমেন্দু অধিকারী।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২০
রাজ্য

কাঁথি পুরসভার সঙ্গে ৫০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন অধিকারী পরিবারের

কাঁথি পুরসভায় নতুন পুরপ্রশাসক নিয়োগ করল রাজ্য সরকার। তার আগে ওই পদ থেকে সরিয়ে দওয়া হয় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীকে। শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সৌমেন্দুকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জোরালো দাবি করে তৃণমূলের একাংশ। নতুন পুরপ্রশাসক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে সিদ্ধার্থ মাইতিকে। শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, কাঁথি পুরসভার সঙ্গে অধিকারী অধিকারী পরিবারের ৫০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেল। কাঁথির পুরপ্রশাসক সৌমেন্দু অধিকারীকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করেছেন দিব্যেন্দু। এই ঘটনাকে তিনি দুর্ভাগ্যজনক বলেও আখ্যা দিয়েছেন। যে ভাবে তাঁর ভাইকে পুরপ্রশাসক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংসদ। শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস অধিকারী পরিবারের সঙ্গে আরও বেশি করে দূরত্ব তৈরি করে। কাঁথিতে শুভেন্দু বিরোধী যে জনসভা তৃণমূল কংগ্রেস আয়োজন করেছিল সেই জনসভায় ছিলেন না অধিকারী পরিবারের দুই সাংসদ শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারি। তৃণমূল জানিয়েছিল, যে ওই দুই সাংসদের কাছ থেকে কনসেন্ট চাওয়া হয়েছে কিন্তু তাঁরা কনসেন্ট দেননি। অথচ সাংসদদ্বয় স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, কাঁথির তৃণমূলের জনসভার ব্যাপারে তাঁদেরকে কিছুই জানানো হয়নি। তারপর সৌমেন্দুকে সরিয়ে দেওয়ায় সেই দূরত্ব আরও বাড়ল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সেখানে কাঁথির পুরপ্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে সিদ্ধার্থ মাইতিকে। তিনি কাঁথি পুরএলাকার বাসিন্দা নয় বলেই দাবি দিব্যেন্দু অধিকারীর।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২০
রাজ্য

এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ শুভেন্দু অধিকারীর

নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগেছেন। ফিরহাদ হাকিম, সৌগত রায়, অমিত মিত্রকও আক্রমণ শানাতে ছাড়েননি। শেষমেশ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। ৭ জানুয়ারির বদলে ৮ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে সভা করবেন শুভেন্দু। জবাব দেবেন মমতার সভার। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এদিন প্রথম কাঁথিতে মিছিল ও সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। ভিড়ে ঠাসা ছিল মিছিল দাবি করেছে বিজেপি। এদিন শুভেন্দু একের পর এক তির ছুড়তে থাকেন। শুভেন্দু বলেন, মিনি পাকিস্তান বলা মন্ত্রী বলছেন শুভেন্দুর মুখে পরিবারতন্ত্র বলা মানায় না। আরে মাননীয় মিনি পাকিস্তান বলা মন্ত্রী আমি আপনার জামাইকে বলিনি তৃণমূলের যুব নেতা। লাল চুল, কানে দুল তার নাম যুবা তৃণমূল। আমি তাঁর কথা বলিনি। সৌগত রায়ের দাদা আমাদের বড় নেতা, প্রাক্তন রাজ্যপাল। আমি তাঁর কথাও বলিনি। আমি বলেছি কয়লা চোর, বালি চোর, পাথর চোর, গরুপাচারকারী ভাইপোর কথা। আবার চাকরি দিতে পারেনি পাউচ বিক্রি করার ব্যবস্থা করেছেন অর্থমন্ত্রী, বলেছেন শুভেন্দু। এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেননি শুভেন্দু। এদিন কাঁথির সভায় তৃণমূলনেত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণও করেছেন তিনি। প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী বলেন, আপনি ৭জানুয়ারী, ১৪মার্চ, ১০ নভেম্বর কোনও দিন আসেননি। কাল টিভিতে দেখলাম আপনি আসছেন। আপনি এলে রাস্তা সারাবে। আমার জেলার লাভ হবে। আমি ৭ তারিখে প্রতিবছর আমি যাই। এবার ওই দিন বড় কর্মসূচি নেব না। ৭ তারিখ আসছেন, ভাল কথা মোস্ট ওয়েলকাম। এতদিন আসেননি। আসুন। আমি যা যা বলতে আসছেন আমি জানি। ১০০০টা শুভেন্দু তৈরি হয়। কে ওটা, কী হবে। শুভেন্দুকে কাউন্টার করতে হাটবারে হাটবারে চারটা-পাঁচটা পুলিশের পাইলট কার নিয়ে জোড়া জোড়া মন্ত্রী। শুভেন্দুর চ্যালেঞ্জ, ৭ তারিখে আসুন, ভাষন দিন। আমি ৮ তারিখে সভা করা আপনার সব কথার জবাব দিয়ে দেব। আমি শৃঙ্খলাপরায়ন লোক। আমি আজই কৈলাশ বিজয়বর্গীয় জানিয়েছি নন্দীগ্রামে ৮ তারিখ সভা হবে। উনি সরকারি ক্ষমতায় লোক আনবেন, আমি আবেগ-ভলবাসায় লোক আনব। শুভেন্দু এদিন একাধিকবার ফিরহাদ হাকিমকে আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেন, উপনির্বাচনে টিকিট পায়নি বলে তৃণমূলনেত্রীর বাড়িতে ঢিল মারতে গিয়েছে। আমফানের পর কলকাতার লোক বুঝে গিয়েছিল কী তাঁর যোগ্য়তা। গ্রামের সঙ্গে লড়াই দক্ষিণ কলকাতার চার-পাঁচটা লোকের। ৪০ টা দফতর ওই চার-পাঁচটা লোকের। শুভেন্দুর ঘোষণা, গোপীবল্লভপুরের দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু হাত মিলিয়েছে। যেতে তোমাদের হবেই। পদ্ম ফুটিয়ে ঘুমাতে যাব।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

বিশ্বাসঘাতক-মীরজাফরেই শুভেন্দুকে তোপ সৌগত- ফিরহাদের

তৃণমূল কংগ্রেস থেকে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় কাঁথিতে মিছিল ও জনসভা করল তৃণমূল কংগ্রেস। অধিকারীগড়ে সমাবেশ করে তৃণমূল বার্তা দিল আপাতত অখিল গিরিদের হাতেই থাকছে পূর্ব মেদিনীপুরে দলের ক্ষমতা। এই জনসভায় ছিলেন না তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ শিশির অধিকারী ও অপর সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। তৃণমূল নেতৃত্ব শুভেন্দুকে বিশ্বাসঘাতক ও মিরজাফর তকমাতে অনড় থাকলেন। বক্তারা টানা নিশানা করে গেলেন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রীকে। পদ্ম শিবিরে যোগ দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবারই পূর্বস্থলীতে বিজেপির হয়ে জনসভায় প্রথম বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। শুভেন্দু মেদেনীপুরে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার দিন থেকে ভাইপো হটাওয়ের ডাক দিচ্ছেন। এদিকে এদিনের সভায় মূল দুই বক্তা সাংসদ সৌগত রায় ও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বক্তব্যের প্রতি লাইনেই তুলোধোনা করেন দলের প্রাক্তন সেনানীকে। আগাগোড়া তোপ দাগলেন। শুভেন্দুকে ছাড়াই পূর্ব মেদিনীপুরে বিধানসভা নির্বাচনে ১৬ আসনেই জয়ী হবে তৃণমূল সেকথা ঘোষণা করেন ফিরহাদ। এদিনের সভায়ও ফিরহাদ হাকিম বিশ্বাসঘাতক বলে চিহ্নিত করেন শুভেন্দুকে। সৌগত রায় মীরজাফর বলে অভিহিত করেন। ফিরহাদ বলেন, শুভেন্দু বিশ্বাসঘাতক, এর জন্য আ্মরা ক্ষমা চাইছি। মমতাকে নয়, শুভেন্দু সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়েছে। পরিবারতন্ত্রের কথা বলছেন শুভেন্দু, কিন্তু ২০০৯-তে কীভাবে মনোনয়ন পেলেন তিনি। শিশির অধিকারীর ঘরে জন্ম না নিলে কোনও দিন শুভেন্দু অধিকারী হতে পারতেন না। ফিরহাদের কথায়, মেদিনীপুরের সবাই বলছেন কোনও রাজার প্রজা হয়ে থাকতে হবে না। অমরা সবাই রাজা এই রাজার রাজত্বে। দল ছাড়ার আগে সৌগত রায়ের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকে কোনও সুরাহা হয়নি। এদিন শুভেন্দুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন সৌগত রায়। দমদমের সাংসদ বলেন, শুভেন্দু মমতাকে ছেড়ে চলে গেল। ও মীরজাফরদের দলে নাম লিখিয়েছে। মানুষ মীরজাফরদের মেনে নেয় না। মুখে সতীশ সামন্তের কথা বলছে, কিন্তু চলে গেল শ্যামাপ্রসাদের দলে। এটাই কী আদর্শ-নীতির রাজনীতি? কাঁথি কোনও পরিবারের সম্পত্তি নয় বলেও জানিয়ে দেন সৌগত রায়। তিনি শুভেন্দুকে কোনও বড় পালোয়ান বলতে নারাজ, তাঁর মতে, অখিল গিরিই বড় পালোয়ান। কাঁথির মানুষ মমতার পাশেই থাকবেন বলে মনে করে সৌগতবাবু। এই জনসভায় যে শুভেন্দুকে কড়া বার্তা দেওয়া হবে তা রাজনৈতিক মহল অবগত ছিল। অখিলি গিরি জানিয়েছিলেন, শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী কনসেন্ট দেয়নি সভায় থাকার বিষয়ে। এদিকে তাঁরা জানিয়েছেন, এই সভার বিষয়ে তাঁদের জানানোই হয়নি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, যে সভায় ছেলেকে লাগামছাড়া শব্দে আক্রমণ করা হবে সেখানে কী থাকতে পারেন সাংসদ বাবা। তাছাড়া শিশির অধিকারীকে বিশ্রাম নিতে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপি কর্মী খুন, উত্তেজনা ময়না-সবং-এ

পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বাকচার বিজেপি কর্মী দীপক মন্ডলকে বোমা মেরে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জানা গিয়েছে, ময়নার বাকচায় ওই বিজেপি কর্মীর বাড়ি হলেও পাশেই সবং-এ গিয়েছিল নৈশ ফুলবল খেলা দেখতে। সেখানেই বোমার আঘাতে ঘটনাস্থলেই বিজেপি কর্মী দীপক মন্ডলের মৃত্যু হয়েছে। এলাকায় তীব্র উত্তেজনা রয়েছে। বিজেপির অভিযোগ বেশ কিছু দিন ধরেই দীপক মন্ডল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ফোনে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। তবে তাঁরা ভাবতে পারেনি এভাবে বোমা মেরে খুন করে দেবে। তখন নৈশ ফুটবল খেলা চলছিল। হঠাৎ বাইক বাহিনী এসে দীপককে ঘিরে বোমা ছুড়তে থাকে। বোমার আঘাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দীপকের। যদিও তৃণমূলের বক্তব্য, নিজেদের কাছে বোমা মজুত ছিল। তা ফেটেই এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশি তদন্তেই সঠিক তথ্য উঠে আসবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটের আগে নাগরিকত্ব! উত্তরবঙ্গে ৪০ জনকে শংসাপত্র ঘিরে তোলপাড়

উত্তরবঙ্গে ভোটের আগে নাগরিকত্ব দেওয়া নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে বসবাস করা অন্তত ৪০ জন মানুষকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজার মহকুমা এলাকায় ঘটেছে। নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পেয়ে স্বস্তি ও খুশি প্রকাশ করেছেন ওই পরিবারগুলি।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার পর এই নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করলেও যাঁরা আইনি স্বীকৃতি পাননি, তাঁদের এই শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। ফলে তাঁদের কাছে এটি একটি বড় স্বস্তির বিষয়।গত কয়েক মাস ধরে আবেদন যাচাই, শুনানি এবং নথিপত্র খতিয়ে দেখার পর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ক্রান্তি ব্লক থেকে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল। ভোজারি পাড়া-সহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পরিবার ইতিমধ্যেই এই সুবিধা পেয়েছে। এছাড়াও ময়নাগুড়ি, রাজগঞ্জ এবং জলপাইগুড়ির অন্যান্য এলাকা থেকেও বেশ কিছু মানুষ নাগরিকত্ব পেয়েছেন।এই নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘটনা সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটের আগে এই পদক্ষেপকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠছে। একই সময়ে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে নাম বাদ পড়ার অভিযোগও সামনে এসেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।সব মিলিয়ে নাগরিকত্ব প্রদান এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের এই দুই ইস্যু উত্তরবঙ্গের নির্বাচনী পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই ফল ঘোষণা? আসনসংখ্যা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি মুখ্যমন্ত্রীর

সিউড়ির জনসভা থেকে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বড় দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এ বার তৃণমূল অন্তত ২২৬টির বেশি আসন পাবে। এর আগে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ২০২১ সালের থেকে অন্তত একটি আসন বেশি জিতবে তৃণমূল। তবে এ দিন প্রথমবার নিজেই নির্দিষ্ট আসনসংখ্যা উল্লেখ করে দাবি করেন তৃণমূল নেত্রী। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূল ২১৩টি আসনে জয় পেয়েছিল।সভা থেকে ভোট প্রক্রিয়া নিয়েও সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কোথাও ভোটযন্ত্রে সমস্যা হলে সেই যন্ত্রে ভোট না দিতে। গণনার সময় ধীরে ধীরে ফল প্রকাশ করা হতে পারে এবং আগে থেকেই কোনও পক্ষ জয়ের দাবি ছড়াতে পারে, সেইসব কথায় গুরুত্ব না দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, আর একদিন ধৈর্য ধরলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, তাঁর বিশ্বাস, আগামী নির্বাচনে তৃণমূল ২২৬টির বেশি আসন পাবে। তিনি অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে বাহিনী এনে বা নানা প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাকে দখল করা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, হামলার জবাব মানুষই দেবে ভোটের মাধ্যমে।এ দিন তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও চ্যালেঞ্জ জানান। মমতা বলেন, বাংলায় তৃণমূল সরকার চাইলে তিনি নিজেকে সবকটি আসনের প্রার্থী হিসেবেই মনে করেন। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী যদি সব আসনের প্রার্থী হওয়ার কথা বলেন, তবে তাঁকে ঠিক করতে হবে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকবেন নাকি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হতে চান। সেই সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে জানাতেও তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন।এই মন্তব্য ঘিরে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
দেশ

‘স্যান্ডউইচ’ হয়ে যাচ্ছে ভোটার! আদালতে কমিশনকে কড়া প্রশ্ন

ভোটার তালিকা ফ্রিজ করার সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হলেও তাতে সাড়া দিল না শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই বিষয়ে ট্রাইবুনালের কাছেই যেতে হবে। একইসঙ্গে তারা জানায়, ট্রাইবুনালের কাজে হস্তক্ষেপ করবে না আদালত।তবে শুনানির সময় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আসে। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন, বিহারে যে পদ্ধতিতে বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া হয়েছে, বাংলায় সেই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়নি। তাঁর কথায়, একজন সাধারণ ভোটার দুই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে পড়ে কার্যত সমস্যায় পড়ছেন।তিনি আরও বলেন, বাংলার ক্ষেত্রে যে ধরনের যুক্তিগত অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে, তা অন্য কোনও রাজ্যে হয়নি। এদিন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডুকে এই বিষয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। তিনি কমিশনের অবস্থান ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেন এবং জানান, বিভিন্ন কারণে নিয়মের কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে।এই প্রসঙ্গে বিচারপতি বাগচী বলেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে যাঁরা ইতিমধ্যেই ফর্ম জমা দিয়েছেন, তাঁদের আবার নতুন করে ফর্ম পূরণের জন্য বলা হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।২০০২ সালের ভোটার তালিকার প্রসঙ্গও উঠে আসে শুনানিতে। বিচারপতির প্রশ্ন ছিল, আগে যদি বলা হয়ে থাকে যে ওই তালিকায় নাম থাকলেই চলবে, তাহলে এখন নতুন করে নথি চাওয়ার প্রয়োজন কেন। এর উত্তরে কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, নাম পরিবর্তন বা পরিচয় যাচাইয়ের জন্যই এই নথি প্রয়োজন।বিচারপতি বাগচী তখন মন্তব্য করেন, এতে মনে হচ্ছে কমিশন তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ন্যায্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটারদের অধিকার রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।অন্যদিকে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আপত্তি জানানোর সুযোগ ছিল। তাঁদের দাবি, প্রায় অর্ধেক আবেদন বাতিল হয়েছে নিয়ম মেনে।তবে বিচারপতি আবারও স্পষ্ট করেন, এটি দোষারোপের বিষয় নয়, বরং একজন সাধারণ ভোটার যেন সমস্যার মধ্যে না পড়েন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সবশেষে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, এই পর্যায়ে তারা ট্রাইবুনালের কাজে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের আশঙ্কা ফিরতেই তেলের দামে আগুন! ভারতে কি বাড়বে পেট্রোল-ডিজেল?

টানা চলা সংঘর্ষের পর ইরান ও আমেরিকার যুদ্ধবিরতি বিশ্বজুড়ে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছিল। সেই সময় তেলের দাম কমতেও শুরু করেছিল। কিন্তু পরিস্থিতি আবার বদলাতে শুরু করেছে। ফের বেড়ে গেল অপরিশোধিত তেলের দাম এবং তা আবার ১০০ ডলারের গণ্ডি পার করেছে। ফলে ভারতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।জানা গিয়েছে, ইসলামাবাদে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সংঘর্ষ মেটাতে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা সফল হয়নি। এর পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে আবার উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে। সোমবার সকালে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৪ ডলার ছাড়িয়েছে। একইভাবে ব্রেন্ট তেলের দামও ১০০ ডলারের উপরে উঠে গিয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতির মূল কারণ ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা। তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বাজারে দাম বাড়ছে। বিনিয়োগকারীরাও সতর্ক হয়ে পড়েছেন। আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালী ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমেরিকার তরফে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে বিশ্বের তেলের সরবরাহে বড় ধাক্কা লাগতে পারে এবং সঙ্কট আরও গভীর হতে পারে।কয়েক দিন আগেও ছবিটা অন্যরকম ছিল। এপ্রিলের শুরুতে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১৭ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। এরপর যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হতেই তা কমে প্রায় ৯১ ডলারে নেমে আসে। কিন্তু নতুন করে আলোচনা ভেস্তে যাওয়া এবং উত্তেজনা বাড়ার কারণে আবার দাম বাড়তে শুরু করেছে।এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক রাজনীতির টানাপোড়েন সরাসরি প্রভাব ফেলছে সাধারণ মানুষের জীবনে। তেলের দাম বাড়লে তার প্রভাব পড়বে পরিবহণ থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দামে।এদিকে আমেরিকার তরফে কড়া অবস্থানের ইঙ্গিত মিলতেই ইরানও পাল্টা জবাব দিচ্ছে। ইরানের সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাগের গালিবাফ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে বলেন, এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে ভবিষ্যতে জ্বালানির দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে এবং তার প্রভাব পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
দেশ

ভোটের আগে বড় ধোঁয়াশা! বিচারাধীন ভোটাররা কি ভোট দিতে পারবেন? স্পষ্ট জানাল আদালত

পশ্চিমবঙ্গে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। রাজ্যের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে এবং যাঁদের আবেদন এখনও বিচারাধীন, তাঁদের যেন ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট হয়েছে, আপাতত বিচারাধীন তালিকায় থাকা ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন না। আগামী সপ্তাহে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। প্রধান বিচারপতি জানান, মোট ৬০ লক্ষ ৪ হাজার মামলার নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। এখনও প্রায় ১৮২৩টি মামলা প্রযুক্তিগত কারণে মুলতুবি রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে এবং প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।বিচারপতি বাগচী জানান, প্রায় ৩৪ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। যাঁদের নাম ৬, ৭ এবং ৮ এপ্রিল বিভিন্ন পর্যায়ে প্রকাশিত তালিকায় রয়েছে, তাঁরা ২৩ এপ্রিল ভোট দিতে পারবেন।রাজ্যের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, কিছু এলাকায় প্রকাশিত তালিকায় থাকা সব ভোটারই এখনও বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছেন। অথচ এমন ধারণা তৈরি করা হচ্ছে যেন সব মামলার নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। তিনি জানান, প্রায় ১৬ লক্ষ আবেদন এখনও বিচারাধীন এবং তাঁদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।এর উত্তরে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, এই প্রশ্ন ওঠেই না। তিনি আরও জানান, ট্রাইব্যুনালের উপর কোনওরকম চাপ সৃষ্টি করা আদালতের পক্ষে সম্ভব নয়।এরপর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আদালতের দিকে তাকিয়ে রয়েছে এবং তারা তাদের ভোটাধিকার চায়। এই সময় অন্য পক্ষের আইনজীবী জনসংখ্যার পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তোলেন। পাল্টা জবাবে কল্যাণ বলেন, বাংলাকে লক্ষ্য করে মন্তব্য করা উচিত নয়।মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী আদালতে আইনের বিভিন্ন ধারা তুলে ধরে বলেন, যাঁদের ভোটাধিকার হারিয়েছে বা যাঁরা বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছেন, তাঁদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এই দাবি খারিজ করা হয়।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি বাগচী জানান, বিষয়টি নিয়ে ভাবার জন্য আদালতের কিছু সময় প্রয়োজন। দুই পক্ষের যুক্তি বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগামী সপ্তাহে এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পাঁচ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা! সামনে কঠিন সপ্তাহের সতর্কতা

টানা কয়েক দিনের ঝড়বৃষ্টির পর রাজ্যে ফের বাড়ছে গরমের দাপট। রবিবার সকাল থেকেই রোদের তেজ চোখে পড়ছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী সপ্তাহে রাজ্যজুড়ে গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া আরও বাড়বে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। চৌদ্দ থেকে সতেরো এপ্রিল পশ্চিমের জেলাগুলিতে তীব্র গরমের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। দক্ষিণবঙ্গে চৌদ্দ ও পনেরো এপ্রিল দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। পশ্চিমের কিছু জেলা এবং উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়বে এবং শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে অস্বস্তিও বাড়বে। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার থাকবে, ফলে তাপমাত্রা আরও বাড়বে। মঙ্গলবার থেকে গরমের তীব্রতা বাড়বে এবং শুক্রবার পর্যন্ত অস্বস্তিকর আবহাওয়া চলবে। কোথাও কোথাও বজ্রগর্ভ মেঘের কারণে সামান্য ঝড়বৃষ্টি হতে পারে, বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায়।মঙ্গলবার ও বুধবার এই জেলাগুলিতে গরমের সঙ্গে অস্বস্তিও বাড়বে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা। আবহাওয়া দফতর সতর্ক থাকতে বলেছে।উত্তরবঙ্গে রবিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং-সহ উপরের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার গতিতে দমকা হাওয়া বইতে পারে। তবে সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টি চললেও বাকি জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে।কলকাতাতেও তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত মিলছে। রবিবার সকাল থেকেই আকাশ পরিষ্কার, দিনের দিকে আংশিক মেঘলা হতে পারে। আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আগামী সপ্তাহে গরম ও অস্বস্তি বাড়বে শহরেও। রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ছাব্বিশ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য বেশি। দিনের তাপমাত্রা তেত্রিশ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি ছিল। আগামী চব্বিশ ঘণ্টায় তাপমাত্রা চব্বিশ থেকে পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
বিদেশ

কুষ্টিয়ায় পিটিয়ে খুন পীর, ধর্মীয় বিতর্কে তোলপাড় বাংলাদেশ

কবি জীবনানন্দ দাশ-এর লেখা অদ্ভুত আঁধার যেন আবারও বাস্তবের সঙ্গে মিলে গেল। বাংলাদেশের কুষ্টিয়ায় এক পীরকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সীমান্তবর্তী এই এলাকায় ধর্মীয় বিতর্ক ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং তারই জেরে ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা।জানা গিয়েছে, পীর শামিম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীরকে শনিবার বেধড়ক মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেল চারটের দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। অভিযোগ, এরপর তাঁর আস্তানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।স্থানীয়দের একাংশের দাবি, শামিম রেজা দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে ভিন্নভাবে ধর্মীয় পরিচয় দিতেন এবং নানা বিতর্কিত বক্তব্য রাখতেন। তাঁর এই কর্মকাণ্ডে এলাকায় ক্ষোভ বাড়ছিল। সম্প্রতি তাঁর কিছু বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, তিনি প্রচলিত ধর্মীয় আচার মানতেন না এবং অনুসারীদেরও অন্যভাবে চলার কথা বলতেন।ঘটনার দিন সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই ক্ষুব্ধ জনতা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। পরে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।জানা গিয়েছে, শামিম রেজা উচ্চশিক্ষিত ছিলেন এবং এক সময় শিক্ষকতা করতেন। পরবর্তীতে নিজ এলাকায় ফিরে এসে একটি ধর্মীয় আস্তানা গড়ে তোলেন। এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল এবং পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল বলে জানা যায়।এই ঘটনায় সোশ্যাল মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তিনি এটিকে ধর্মীয় হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশ্ন তুলেছেন সহিংসতার বিরুদ্ধে।এই ঘটনায় নতুন করে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে চরম টানাপোড়েন, চুক্তি ছাড়াই ফিরল আমেরিকা

দীর্ঘ একুশ ঘণ্টার বৈঠক, তবু মেলেনি কোনও সমাধান। ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে ম্যারাথন আলোচনা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। বৈঠক শেষে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স জানান, তাদের পক্ষ থেকে সব চেষ্টা করা হলেও ইরান শর্ত মানতে রাজি হয়নি। ফলে কোনও চুক্তি ছাড়াই ফিরতে হয়েছে তাঁদের।এই মন্তব্যের পরই পাল্টা সুর চড়ায় ইরান। তেহরানের দাবি, আমেরিকার শর্তগুলো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ছিল এবং সেই কারণেই আলোচনায় অগ্রগতি হয়নি। ইরানের সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই তারা দীর্ঘ সময় আলোচনা চালিয়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও রফাসূত্র মেলেনি।এই বৈঠকে অন্যতম বড় জট ছিল হরমুজ প্রণালী নিয়ে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের উপর তাদের অবস্থান বদলাবে না। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, হরমুজ খুলতেই হবে এবং সেই লক্ষ্যেই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।প্রায় এক মাসের উত্তেজনার পর দুই দেশের এই বৈঠকের দিকে নজর ছিল গোটা বিশ্বের। বৈঠকের পরে ভান্স জানান, আমেরিকা তাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেকোন বিষয়ে আপস সম্ভব এবং কোথায় নয়। যদিও কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে, তবুও চুক্তি না হওয়ায় পরিস্থিতি জটিলই রয়ে গেছে।সূত্রের খবর, আবারও নতুন করে আলোচনায় বসতে পারে দুই দেশ। ইসলামাবাদের তরফে বৈঠক বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হতে পারে। তবে সেই বৈঠক আদৌ হবে কি না এবং হলেও কোনও সমাধান মিলবে কি না, তা নিয়েই বাড়ছে অনিশ্চয়তা।

এপ্রিল ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal